Top Places to Visit in Dhaka with details

 

Top Places to Visit in Dhaka with details

Top Places to Visit in Dhaka with details 

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে এবং এখানে দর্শনীয় অনেক ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে। ঢাকায় দেখার জন্য এখানে কিছু সেরা ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে যা আপনি আপনার পরিবার নিয়ে প্রতি সপ্তাহে ঘুরে আস্তে পারেন অল্প খরচে।

 

লালবাগ দুর্গ - শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ১৭ শতকের একটি চিত্তাকর্ষক মুঘল দুর্গ, যেখানে সুন্দর বাগান, মসজিদ এবং প্রাসাদ রয়েছে।

টিকেট প্রাপ্তিস্থানঃ


লালবাগ কেল্লার দরজার ঠিক ডান পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার, জনপ্রতি টিকেট এর দাম বিশ টাকা করে, তবে পাঁচ বছরের কম কোন বাচ্চার জন্যে টিকেট এর দরকার পড়েনা। যেকোনো বিদেশি দর্শনার্থীর জন্যে টিকেট মূল্য দুইশত টাকা করে।

বন্ধ-খোলার সময়সূচীঃ

গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কেল্লা খোলা থাকে। মাঝখানে দুপুর ১টা থেকে .৩০ পর্যন্ত আধ ঘণ্টার জন্যে বন্ধ থাকে। আর শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শীতকালেও দুপুর ১টা থেকে .৩০ পর্যন্ত বন্ধ থাকে। আর সবসময়ের জন্যেই শুক্রবারে জুম্মার নামাযের জন্যে সাড়ে বারোটা থেকে তিনটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। রবিবার সাধারণ ছুটি এবং সোমবার বেলা  .০০ থেকে  লালবাগ কেল্লা খোলা থাকে। এছাড়াও সরকারী কোন বিশেষ দিবসে লালবাগ কেল্লা থাকে

কিভাবে যাবেন

আজিমপুর বাসষ্ট্যান্ডে নেমে ১৫/২০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিয়ে লালবাগে  যাওয়া যায়। দর্শনাথী ইচ্ছা করলে পায়ে  হেঁটেও লালবাগে যেতে পারেন। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চটার্মিনাল থেকে বাবু বাজার হয়ে লালবাগে যাওয়া যায়।

 

আহসান মঞ্জিল - একটি অত্যাশ্চর্য গোলাপী প্রাসাদ যা একসময় ঢাকার নবাবের বাসভবন ছিল, যেখানে মুঘল এবং ইউরোপীয় স্থাপত্য শৈলীর মিশ্রণ রয়েছে।

প্রতিদিন সকাল ১০-৩০মি: থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে বৃহস্পতিবার শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে আহসান মঞ্জিল: বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল এক ঐহিতাসিক ভবন।

 

আর্মেনিয়ান চার্চ - ঢাকার প্রাচীনতম খ্রিস্টান চার্চগুলির মধ্যে একটি, যা ১৮ শতকের একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান ঐতিহ্যবাহী এই চার্চের সাথে জড়িয়ে আছে ঢাকায় আর্মেনীয়দের ইতিহাস। আনুমানিক সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে দুই একজন করে আর্মেনীয় বনিক ঢাকায় আশা শুরু করে। ধারনা করা হয় তাদের নাম অনুসারে পুরান ঢাকার আরমানিটোলার নামকরণ করা হয়। ৭০০ ফুট লম্বা গির্জাটির রয়েছে ৪টি দরজা আর ২৭টি জানালা। ভেতরে সারি সারি চেয়ার সাজানো রয়েছে আর রয়েছে পাদ্রি বসার জন্য একটি বেদি।  

 

ঢাকেশ্বরী মন্দির - বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু মন্দিরগুলির মধ্যে একটি, যা ১২ শতকের আগের এবং সুন্দর স্থাপত্য এবং জটিল খোদাই বৈশিষ্ট্যযুক্ত।


বর্তমানে এখানে প্রতি বছর ধুমধামের সঙ্গে সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই মন্দিরে প্রতিদিনই ঈশ্বরের প্রার্থনা করা হয়। প্রতি শুক্রবার- মা সন্তোষী, শনিবার শনিদেবের পূজা, রোববার কীর্তন হরী সেবা, সোমবার শিব পূজা, মঙ্গল, বুধ বৃহস্পতিবার দেবীদূর্গার পুজা-অর্চনা করা হয়। 

পাশাপাশি সাপ্তাহিক পূজাও হয়ে থাকে। আর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় আরতি তো থাকেই। আক্ষরিক যেনো ১২ মাসে ১৩ পূজা! মন্দিরটি বহু পুরনো হলেও এখানে প্রতিদিন বহু অতিথি পূণ্যার্থীদের আনাগোনা বেশী। তাই এখানে পূজা করতে আসা ভক্তরা নানান মানত করে প্রনামী, দক্ষিণা অনুদান দিয়ে থাকেন। 

এসব অনুদান শ্রী-শ্রী ঢাকেশ্বরী মন্দিরের অনুদান প্রনামী বাক্সে ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব অর্থ মন্দিরের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। প্রতিদিন দুপুরে অন্নভোগের ব্যবস্থাও থাকে।

 

কার্জন হল - ঔপনিবেশিক আমলের একটি সুন্দর ভবন যা একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, বর্তমানে এটি একটি একাডেমিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফেব্রুয়ারি ১৯, ১৯০৪ সাল।


ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন রমনা এলাকায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এক ভাবী সুদৃশ্য ভবনের। যার নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯০৮ সালে।  লর্ড কার্জনের নামানুসারে এই ভবন পরিচিতি পায় কার্জন হল নামে। আজো ঢাকার বুক চিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকার অন্যতম সেরা এই  স্থাপনা।


 

তারা মসজিদ - পুরান ঢাকার একটি সুন্দর মসজিদ, যা তার অত্যাশ্চর্য তারকা আকৃতির মোজাইক টাইলসের জন্য পরিচিত। মোঘল স্থাপত্য শৈলীর প্রভাব রয়েছে  মসজিদে। ঢাকার কসাইটুলীর মসজিদেও  ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্যদিল্লিআগ্রা  লাহোরের সতের শতকে নির্মিত স্থাপত্যকর্মের ছাপ পড়ে মোঘল স্থাপত্য শৈলীতে।

মির্জা গোলামের সময় মসজিদটি ছিল তিন গম্বুজঅলাদৈর্ঘ্যে ৩৩ ফুট (১০.০৬ মিটারআর প্রস্থে ১২ ফুট (.০৪ মিটার) আলী জানের সংস্কারের সময়১৯২৬ সালেমসজিদের পূর্ব দিকে একটি বারান্দা বাড়ানো হয়। ১৯৮৭ সালে তিন গম্বুজ থেকে পাঁচ গম্বুজ করা হয়। পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।

মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (.৯৮ মিটার)

 

 

জাতীয় জাদুঘর - শাহবাগে অবস্থিত একটি জাদুঘর যেখানে বাংলাদেশের ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিদর্শনগুলির একটি সংগ্রহ রয়েছে।


পরিদর্শনের সময়সূচি

শনিবার-বুধবার: সকাল ১০.৩০- বিকাল ০৫.৩০ পর্যন্ত
শুক্রবার: বিকাল ০৩.০০ - রাত .০০ পর্যন্ত

শনিবার-বুধবার: সকাল ০৯.০০- বিকাল ০৩.০০ পর্যন্ত
(
রমযান)

সাপ্তাহিক বন্ধবৃহস্পতিবার
সাপ্তাহিক বন্ধ (রমযান): বৃহস্পতিবার শুক্রবার  

 

বায়তুল মোকাররম মসজিদ - বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ, এটির চিত্তাকর্ষক স্থাপত্য এবং বিশাল প্রার্থনা হলের জন্য পরিচিত যেখানে 30,000 জন এক সাথে নামাজ পড়ে থাকতে পারে।


 

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর - আগারগাঁওয়ে অবস্থিত একটি জাদুঘর যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রদর্শন করে।

 

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার - ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি স্মৃতিস্তম্ভ যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে স্মরণ করে, যা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

 

বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর - ধানমন্ডিতে অবস্থিত একটি জাদুঘর যা একসময় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের বাসভবন ছিল। জাদুঘরটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন কর্মের সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিগত জিনিসপত্র এবং স্মৃতিচিহ্নের সংগ্রহ রয়েছে। কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য

বর্তমানে জাদুঘরটি সরকারী নিয়ন্ত্রনাধীন।

অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে।

নিরাপত্তার জন্য পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনী নিয়োজিত আছে।

ভেতরে খাবার, মোবাইল ফোন, ক্যামেরা, ব্যাগ ইত্যাদি নিয়ে প্রবেশ করা বারণ। এসব কাউন্টারে জমা দিয়ে একটি টোকেন নিয়ে প্রবেশ করতে হয়।

জাদুঘরে থাকা বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়।

গাড়ি পার্কিং সুবিধা নেই।

জাদুঘরটিতে প্রবেশ করা এবং বের হওয়ার জন্য পূর্ব পশ্চিম দুটি আলাদা পথ রয়েছে।

জাদুঘরটির পূর্ব দিকে ইসলামী ব্যাংকের একটি এটিএম বুথ রয়েছে।

জাদুঘরটিতে প্রবেশের সময় হাতের ডান পাশে টয়লেট পাওয়া যায়। এখানে পুরুষ-মহিলা উভয়ের জন্য এব্যবস্থা রয়েছে।

জাদুঘরটিতে গাইডের ব্যবস্থা আছে।

তিন তলা ভবনটির একতলায় অফিস কক্ষ এবং একটি ক্ষুদ্র বিক্রয় কেন্দ্র আছে। এই বিক্রয় কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন বই এবং ম্যাগাজিন বিক্রি হয়।

সময়সূচী

বুধবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি দিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা টা পর্যন্ত খোলা থাকে জাদুঘরটি। এটিতে সাধারণত শুক্রবার শনিবার ভিড় বেশি হয়।

টিকেট

এই জাদুঘরটির একটি মাত্র টিকেট কাউন্টার রয়েছে। ভিড় থাকলে লাইন ধরে টিকেট কাটতে হয়। টিকেটের মূল্য টাকা। বছরের কম বয়সীদের কোন টিকেটের প্রয়োজন হয় না। আর শুধুমাত্র শুক্রবার ১২ বছরের কম বয়সীরা টিকেট ছাড়া প্রবেশের সুযোগ পায়।

 

 

ঢাকা গেট

শহরের উত্তরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রবেশদ্বার যা একসময় শহরের দুর্গের অংশ ছিল। গেটটি ফটোর জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান এবং শহরের একটি অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে।

 

বিনাত বিবি মসজিদ - ঢাকার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি সুন্দর মসজিদ যা ১৭  শতকের গোড়ার দিকে।


মসজিদটি তার তিনটি গম্বুজ এবং জটিল পোড়ামাটির অলঙ্করণ সহ তার অনন্য স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ - ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত একটি আধুনিক স্থাপত্যের বিস্ময়। 


সংসদ
ভবনটি তার স্বতন্ত্র নকশার জন্য পরিচিত, যেখানে একটি বিশাল বাঁকা ছাদ রয়েছে যা বটবৃক্ষের প্রতীক, যা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

 

লালবাগ কেল্লা মিউজিয়াম - লালবাগ কেল্লা কমপ্লেক্সের মধ্যে অবস্থিত একটি ছোট জাদুঘর যেখানে মুঘল আমলের সাথে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির একটি সংগ্রহ রয়েছে। জাদুঘরটিতে অস্ত্র, মৃৎশিল্প এবং আলংকারিক শিল্প সহ বিস্তৃত আইটেম রয়েছে।

 

জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘর

 


রবিবার থেকে বুধবার: সকাল ০৯:০০ ঘটিকা থেকে বিকাল ০৪:০০ ঘটিকা পর্যন্ত

গ্রীষ্মকালীন (এপ্রিল-অক্টোবর): শুক্রবার: বেলা ০৩:৩০ঘটিকা থেকে  ০৭:০০ঘটিকা পর্যন্তশনিবার: বেলা ১১:০০ঘটিকা থেকে  ০৬:০০ঘটিকা পর্যন্ত

শীতকালীন (নভেম্বর-মার্চ): শুক্রবার: বেলা ০৩:০০ ঘটিকা থেকে  ০৬:০০ ঘটিকা পর্যন্ত; শনিবার: বেলা ১০:০০ ঘটিকা থেকে  ০৬:০০ ঘটিকা পর্যন্ত

 

Bangladesh Air force Museum| বিমান জাদুঘর বাংলাদেশ

ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর পরিদর্শনের জন্য ঢাকায় আসে। কিন্তু অনেকে আছে বিমান বাহিনী জাদুঘর কখন প্রদর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হয় সেই সময়টি জানেনা। আজকে আমরা তাদের জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর পরিদর্শনের সময়সূচী উল্লেখ করে দেবো।


বিমান বাহিনী জাদুঘর টি সপ্তাহের রবিবার বাদে অন্য 6 দিন খোলা থাকে। সোম থেকে বৃহস্পতিবার জাদুঘরটির দুপুর 2 টা থেকে রাত 8 টা পর্যন্ত খোলা থাকে এবং শুক্র এবং শনিবার সকাল 10 টা থেকে রাত 8 টা পর্যন্ত প্রবেশ দ্বার খোলা থাকে।

 

 

 

Post a Comment

0 Comments